নরসিংদী মনোহরদীতে ফার্নিচার ব্যবসায়ী খুন
Amp newsportal
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায় ,অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের ফলে মারা গিয়েছে। এবং এই ব্যাপারে নিহত আনোয়ার হোসেন মুকুলের স্ত্রী রত্না আক্তার (৩৫) বাদী হয়ে গত ২৭/১০/২০১৯ইংতারিখ,১/প্রদীপ ২/খোকন ৩/লিটন ৪/চন্দন । আরো অজ্ঞাত কয়েকজনের বিরুদ্ধে মনোহরদী থানায় একটি মারামারি মামলা দায়ের করে , এবং প্রধান আসামি প্রদীপ ও চন্দন কে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। আনোয়ার হোসেন মুকুল মারা যাওয়ার পর মিরপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়। পরে লাশ সুরতহাল ও ময়না তদন্তের জন্য ঢাকা সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয় ।
ডেস্ক নিউজ: নরসিংদী জেলার মনোহরদী উপজেলার মজিদ পুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, নিহত আনোয়ার হোসেন মুকুল বীরগাঁও চৌরাস্তা বাজারের রহিম মিয়া মার্কেটের ফার্নিচার ব্যবসায়ী।গত ২৬/১০/২০১৯তারিখে আনুমানিক সময়, সন্ধ্যা ছয় ঘটিকায় ফার্নিচারের দোকানে গেলে পাশের গ্রামের বীরগাঁও মোদক বাড়ির মৃত হরিদাসের পুত্র, প্রদীপ (২৫) আনোয়ার হোসেন মুকুলের দোকানের কাঠমিস্ত্রির কাজ করে। এবং ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেন মুকুল এর কাছ থেকে অগ্রিম ৬০০০০/হাজার টাকা নেয়। উক্ত টাকা নিয়ে সে আনোয়ার হোসেন মুকুলের দোকানে কাজ করে না। এবং টাকাও দেয় না, নানা তালবাহানা করে,এক পর্যায়ে আনোয়ার হোসেন মুকুল ,প্রদীপকে বলে হয়তো আজ টাকা দিবি না হলে নিয়মিত কাজ করবি দোকানে।
উভয়ের মাঝে বাক-বিতণ্ডা সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে তাদের হট্টগোল দেখে আরো তিন ভাই ১/ খোকন ( ৩৬) ২/লিটন ( ২৮) ৩/ চন্দন (২২) এগিয়ে এসে, এবং তাদের সাথে কথা কাটাকাটি হয়, এক পর্যায়ে প্রদীপ কাঠের তক্তা দিয়ে আনোয়ার হোসেন মুকুলকে মারধর করতে থাকে, ফলে আনোয়ার হোসেন মুকুলের মাথায় মারাত্মক জখম হয়। এবং মাটিতে লুটে পড়ে, মার্কেটের অন্য ব্যবসায়ীরা গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে মনোহরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায় । এবং চিকিৎসক অবস্থা গুরুতর মনে হলে ঢাকা ইবনে সিনা হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। আজ রাত আনুমানিক 2 ঘটিকায় সময় ,ঢাকা ইবনে সিনা হাসপাতালে মারা যায়।হাসপাতাল সূত্রে জানা যায় ,অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের ফলে মারা গিয়েছে। এবং এই ব্যাপারে নিহত আনোয়ার হোসেন মুকুলের স্ত্রী রত্না আক্তার (৩৫) বাদী হয়ে গত ২৭/১০/২০১৯ইংতারিখ,১/প্রদীপ ২/খোকন ৩/লিটন ৪/চন্দন । আরো অজ্ঞাত কয়েকজনের বিরুদ্ধে মনোহরদী থানায় একটি মারামারি মামলা দায়ের করে , এবং প্রধান আসামি প্রদীপ ও চন্দন কে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। আনোয়ার হোসেন মুকুল মারা যাওয়ার পর মিরপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়। পরে লাশ সুরতহাল ও ময়না তদন্তের জন্য ঢাকা সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয় ।

No comments